মহাভারত সম্পর্কে এ যাবৎ কালে যত আলোচনা হয়েছে তার মধ্যে দু-একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় কোনো আলোচনাতেই মহাভারতের সামাজিক
পদ্যপাগল দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরো একটা নতুন বই হয়ে গেল খেয়ালখেলার।
নির্দিষ্ট কালসীমা কোনো সাহিত্যের বিচারলক্ষণ হতে পারে না। তার অনেকানেক বৈচিত্র্য আছে। প্রাচীন সময়ে লেখা হয়েছে বলেই মঙ্গলকাব্যকে আমরা ধ্রুপদি সাহিত্য বলি না। কিন্তু
তারপর নানা স্তরে বাঁকবদল। জিয়ারত-এ এসে সম্পূর্ণতই ঘুরে দাঁড়ানো। হারিয়ে যাওয়া আত্মাদের প্রার্থনারত শীর্ণ হাতগুলির সঙ্গে নিজের দু-হাত যুক্ত করে শান্ত এক পৃথিবীর স্বপ্নে জাগরিত থাকতে চাওয়া। ফলে তাঁর ঈশ্বর শুধুমাত্র ভালো মানুষদের ছায়ায় ছায়ায় সুরভিত হয়ে উঠলেন। প্রবল আবেগ আর ভয়ংকর। আগুনকে নতুনভাবে আত্মস্থ করতে চাইলেন তিনি। প্রতিরোধের দ্যুতি ছড়িয়ে পড়ল কবিতায়। রক্তমাংসের নারীও তছনছ হল ভিন্নতর মহিমায়। বিশিষ্ট এই কবির প্রায় তিন দশকের কাব্যযাত্রা থেকে নির্মিত আমাদের এই সংগ্রহটি। আগ্রহী কবিতাপাঠকের কাছে গ্রন্থটি অবশ্যপাঠ্য হয়ে উঠবে বলেই আমরা বিশ্বাস করি।
জীবনানন্দ দাশ : কবি ও কবিতা সঞ্জীব গঙ্গোপাধ্যায় মহাভারত সম্পর্কে এ যাবৎ কালেJibanananda Das : Kabi O Kabita : : 320 , , , , , ; , , ? , , , , , (cm) : 14. 5 (l) X 22 (b) X 2 (h)